ICT 2nd Chapter

0.0
(0)
0 Enrolled

About Course

মডিউল ১ : ডেটা কমিউনিকেশন

১. ডেটা কমিউনিকেশনের ধারণা
ডেটা কমিউনিকেশন কী এবং কীভাবে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে তথ্য আদান-প্রদান হয় তা আলোচনা করা হয়েছে।

২. ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান
উৎস (Source), প্রেরক (Transmitter), মাধ্যম (Medium), প্রাপক (Receiver) এবং গন্তব্য (Destination) সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

৩. ব্যান্ডউইথ (Bandwidth)
ব্যান্ডউইথ কী এবং ন্যারোব্যান্ড, ভয়েসব্যান্ড ও ব্রডব্যান্ডের সংক্ষিপ্ত আলোচনা রয়েছে।

৪. ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড
প্যারালাল ও সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সমিশনের ধারণা এবং সিরিয়াল ট্রান্সমিশনের ধরন যেমন অ্যাসিনক্রোনাস, সিনক্রোনাস ও আইসোক্রোনাস ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

৫. ডেটা ট্রান্সমিশন মোড
সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স ডেটা প্রবাহের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে।

৬. ট্রান্সমিশন মোডের ধরন
ইউনিকাস্ট, ব্রডকাস্ট ও মাল্টিকাস্ট পদ্ধতিতে ডেটা প্রেরণের ধারণা আলোচনা করা হয়েছে।

উদ্দেশ্য
এই মডিউলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডেটা কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিংয়ের মৌলিক ধারণা সহজভাবে বুঝতে পারবে।

মডিউল ২ : ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম (তারযুক্ত / Wired Media)

১. তারযুক্ত ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ক্যাবলকে তারযুক্ত মাধ্যম বলা হয়। নেটওয়ার্কে তথ্য দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে পাঠানোর জন্য এসব ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।

২. কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল (Co-axial Cable)
মাঝখানে তামার তার ও চারপাশে ইনসুলেশনযুক্ত ক্যাবলকে কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল বলা হয়। এটি সাধারণত ক্যাবল টিভি ও ডিশ সংযোগে ব্যবহৃত হয়। এর প্রধান দুই ধরন হলো থিননেট ও থিকনেট।

৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (Twisted Pair Cable)
দুটি তামার তার একে অপরের সাথে পেঁচিয়ে তৈরি ক্যাবলকে টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল বলা হয়। এটি টেলিফোন ও ল্যান (LAN) নেটওয়ার্কে বেশি ব্যবহৃত হয়। এর দুই ধরন হলো শিল্ডেড (STP) ও আনশিল্ডেড (UTP)।

৪. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল (Optical Fiber)
কাঁচের তন্তু দিয়ে তৈরি এই ক্যাবলের মাধ্যমে আলোর সাহায্যে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়। এটি দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

৫. তারযুক্ত মাধ্যমের তুলনামূলক ধারণা
কো-অ্যাক্সিয়াল, টুইস্টেড পেয়ার এবং অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের মধ্যে গঠন, গতি, ব্যান্ডউইথ, খরচ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে অপটিক্যাল ফাইবার সবচেয়ে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।

উদ্দেশ্য
এই মডিউলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের তারযুক্ত ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম ও তাদের ব্যবহার সম্পর্কে মৌলিক ধারণা লাভ করবে।

মডিউল ৩ : তারবিহীন যোগাযোগ মাধ্যম (Wireless Media)

১. তারবিহীন যোগাযোগের ধারণা
যে মাধ্যমে কোনো ভৌত তার ছাড়াই তরঙ্গের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করা হয় তাকে তারবিহীন বা ওয়্যারলেস মাধ্যম বলা হয়। আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় দ্রুত ও সহজ সংযোগের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

২. রেডিও ওয়েভ ও মাইক্রোওয়েভ
রেডিও ওয়েভ ও মাইক্রোওয়েভ হলো গুরুত্বপূর্ণ ওয়্যারলেস যোগাযোগ মাধ্যম। রেডিও ওয়েভ দূরত্বে ডেটা পাঠাতে পারে এবং বিভিন্ন সম্প্রচার ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে মাইক্রোওয়েভ সাধারণত সরলরেখায় চলাচল করে এবং ট্রান্সমিটার ও রিসিভারের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করে।

৩. টেরিস্ট্রিয়াল ও স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ
টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভে ভূপৃষ্ঠে স্থাপিত ট্রান্সমিটার ও রিসিভারের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান হয়। স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভে কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে বৃহৎ এলাকা বা একাধিক দেশে যোগাযোগ সম্ভব হয়।

৪. ইনফ্রারেড (Infrared)
ইনফ্রারেড হলো স্বল্প দূরত্বে ব্যবহৃত একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি। এটি সাধারণত টিভি রিমোট, কীবোর্ড, মাউস এবং অন্যান্য ছোট ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।

৫. ব্লুটুথ ও ওয়াইফাই
ব্লুটুথ প্রযুক্তি স্বল্প দূরত্বে ব্যক্তিগত ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। ওয়াইফাই প্রযুক্তি তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি তুলনামূলক বেশি দূরত্ব কভার করতে পারে।

৬. ওয়াইফাই ও ওয়াইম্যাক্স
ওয়াইফাই সাধারণত সীমিত এলাকায় (WLAN) ব্যবহৃত হয়, যেমন বাসা বা অফিসে। ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি বড় এলাকা বা শহর পর্যায়ে (WMAN) উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম।

৭. মোবাইল নেটওয়ার্কের প্রজন্ম (Mobile Generations)
মোবাইল প্রযুক্তি সময়ের সাথে বিভিন্ন প্রজন্মে উন্নত হয়েছে। 1G থেকে 5G পর্যন্ত প্রতিটি প্রজন্মে যোগাযোগের গতি, ডেটা সুবিধা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ধীরে ধীরে উন্নত হয়েছে।

উদ্দেশ্য
এই মডিউলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের ওয়্যারলেস যোগাযোগ মাধ্যম, তাদের ব্যবহার এবং আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি সম্পর্কে মৌলিক ধারণা লাভ করবে।

মডিউল ৪ : কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (Computer Network)

১. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ধারণা
একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করে তথ্য ও সম্পদ ভাগাভাগি করার ব্যবস্থাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়। এর মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

২. পাবলিক ও প্রাইভেট নেটওয়ার্ক
পাবলিক নেটওয়ার্ক এমন নেটওয়ার্ক যা সবাই ব্যবহার করতে পারে, যেমন ইন্টারনেট বা পাবলিক ওয়াইফাই। অন্যদিকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং কেবল অনুমোদিত ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহার করতে পারে।

৩. নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ভিত্তিতে নেটওয়ার্ক
নেটওয়ার্ক পরিচালনার ধরন অনুযায়ী এটি পিয়ার-টু-পিয়ার, ক্লায়েন্ট-সার্ভার এবং হাইব্রিড নেটওয়ার্কে বিভক্ত। পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার সমানভাবে কাজ করে, আর ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার পুরো নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে।

৪. ভৌগোলিক বিস্তৃতির ভিত্তিতে নেটওয়ার্ক
নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির ওপর ভিত্তি করে PAN, LAN, CAN, MAN এবং WAN এই পাঁচ ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়। ছোট ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক পর্যন্ত এই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।

৫. নেটওয়ার্ক ডিভাইসসমূহ
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গঠনে বিভিন্ন ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন মডেম, হাব, সুইচ, রাউটার, গেটওয়ে, রিপিটার এবং এনআইসি (NIC)। এসব ডিভাইস ডেটা আদান-প্রদান, সংযোগ স্থাপন এবং নেটওয়ার্ক পরিচালনায় সহায়তা করে।

উদ্দেশ্য
এই মডিউলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ধরন, বিস্তৃতি এবং বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইসের কাজ সম্পর্কে মৌলিক ধারণা লাভ করবে।

মডিউল ৫ : নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology)

১. নেটওয়ার্ক টপোলজির ধারণা
একটি নেটওয়ার্কে কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইস কীভাবে পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকবে এবং কীভাবে ডেটা আদান-প্রদান করবে, সেই ভৌত বিন্যাস বা গঠনকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে নোড (Node) বলা হয়।

২. বাস টপোলজি (Bus Topology)
এই টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবল বা ব্যাকবোন লাইনের সাথে সব কম্পিউটার যুক্ত থাকে। এটি স্থাপন করা সহজ এবং ব্যয় কম, তবে মূল লাইনে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৩. রিং টপোলজি (Ring Topology)
এখানে প্রতিটি কম্পিউটার চক্রাকারে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে। ডেটা নির্দিষ্ট দিক দিয়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে প্রবাহিত হয়।

৪. স্টার টপোলজি (Star Topology)
সব কম্পিউটার একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস যেমন হাব বা সুইচের সাথে যুক্ত থাকে। এটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত টপোলজি এবং এতে ডেটা আদান-প্রদান দ্রুত হয়।

৫. ট্রি টপোলজি (Tree Topology)
এটি একাধিক স্তর বা শাখা নিয়ে গঠিত একটি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা, যেখানে বিভিন্ন নোড একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে। বড় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় এটি ব্যবহৃত হয়।

৬. মেশ টপোলজি (Mesh Topology)
এই টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের অন্য সব কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে। ফলে এটি অত্যন্ত নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য হলেও খরচ বেশি।

৭. হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology)
একাধিক টপোলজির সমন্বয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তাকে হাইব্রিড টপোলজি বলা হয়। বড় ও জটিল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় এটি ব্যবহৃত হয়।

উদ্দেশ্য
এই মডিউলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক টপোলজি, তাদের বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার সম্পর্কে মৌলিক ধারণা লাভ করবে।

মডিউল ৬ : ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing)

১. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ধারণা
ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার, স্টোরেজ বা সফটওয়্যার ব্যবহার করার পদ্ধতিকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলা হয়। এতে ব্যবহারকারী নিজের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার না কিনে অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারে।

২. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ধরন
ব্যবহারের অধিকার বা মালিকানার ভিত্তিতে ক্লাউড তিন ধরনের হতে পারে: প্রাইভেট ক্লাউড, পাবলিক ক্লাউড এবং হাইব্রিড ক্লাউড। প্রাইভেট ক্লাউড নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য, পাবলিক ক্লাউড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং হাইব্রিড ক্লাউড উভয়ের সমন্বয়ে গঠিত।

৩. ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার ধরন
ক্লাউড কম্পিউটিং বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), SaaS (Software as a Service) এবং NaaS (Network as a Service)। এসব সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অবকাঠামো, প্ল্যাটফর্ম, সফটওয়্যার বা নেটওয়ার্ক সুবিধা অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে।

৪. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারে চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স ব্যবহার করা যায়, যে কোনো সময় সেবা পাওয়া যায় এবং ব্যবহার অনুযায়ী খরচ পরিশোধ করা যায়। এতে হার্ডওয়্যার কেনা বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন কমে যায় এবং পরিচালন ব্যয়ও অনেক কম হয়।

উদ্দেশ্য
এই মডিউলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ধারণা, এর ধরন এবং বিভিন্ন সেবার ব্যবহার সম্পর্কে মৌলিক ধারণা লাভ করবে।

Show More

Course Content

ICT 2nd Chapter

  • মডিউল ১: ডেটা কমিউনিকেশন
  • মডিউল ২ঃ ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম
  • মডিউল ৩ঃ তারবিহীন বা ওয়্যারলেস মাধ্যম (Wireless Media)
  • মডিউল ৪ঃকম্পিউটার নেটওয়ার্ক (Computer Network
  • মডিউল ৫ঃ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Network Topology)
  • মডিউল ৬: ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing)
  • মডিউল ৭ঃ ডেটা কমিউনিকেশন (গুরুত্বপূর্ণ নোটস) MCQ TYPE

Instructors

P

pms@dmin

4.4
4 Students
6 Courses
No Review Yet
No Review Yet